“কমরেড রঞ্জন গোস্বামী” মানে ঝড়ের দিনের পাখি। ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের তৎকালীন অবিভক্ত ২৪ পরগণা জেলার আহ্বায়ক তথা সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন কমরেড রঞ্জন গোস্বামী। তীব্র সন্ত্রাসের মোকাবিলা করেই ১৯৭৭ সালের নির্বাচনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। খাবারের সংস্থান নেই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। প্রতিদিন অসম লড়াই লড়ছেন কমরেড রঞ্জন গোস্বামীরা।১৯৭৭ সালের ১১ ই জুন বিধানসভা নির্বাচনের কাজ শেষ করে বেলঘরিয়ায় নিজের বাড়িতে ফেরার পথে তৎকালীন কংগ্রেসী গুন্ডাদের গুলিতে নিহত হন কমরেড রঞ্জন গোস্বামী।
কমরেড রঞ্জন গোস্বামীদের রক্তের বিনিময়ে পশ্চিম বাংলার মাটিতে চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক সরকার এবং সন্ত্রাসের অবসান ঘটিয়ে বাম গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রাম বাংলার সাধারন মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা হলেও রক্তের অভাবে বাঁচানো যায়নি কমরেড রঞ্জন গোস্বামীকে।
কিন্তু আমাদের এই জেলা, রাজ্য পেড়িয়ে গোটা দেশের রাজনীতিতে আজন্মকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা কমরেড রঞ্জন গোস্বামীর নাম। কমরেড রঞ্জন গোস্বামী দের ঐতিহ্য আর উত্তরাধিকার বুকে নিয়েই আমাদের পথচলা। কমরেড রঞ্জন গোস্বামীর অবদান কে স্মরণ করেই তাই আমাদের এই প্রচেষ্টা “রঞ্জন”।
কমরেড রঞ্জন গোস্বামী লাল সেলাম।
কমরেড রঞ্জন গোস্বামী অমর রহে।
আমাদের কথা
শিক্ষা হোক সকলের। না ধর্মের, না বাজারের। শিক্ষাক্ষেত্র হোক বৈষম্য, দুর্নীতি ও সমাজবিরোধী মুক্ত।
শিক্ষায় চাই মাতৃভাষার অগ্ৰাধিকার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণ। শিক্ষাক্ষেত্রে চাই গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়।
শিক্ষা ফিরুক রাজ্য তালিকায়, বাড়ুক ব্যয় বরাদ্দ। সংবিধানে শিক্ষা ও কাজের অধিকারকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দিতে হবে।
দৃঢ় হোক জাতীয় ঐক্য ও সংহতি। বিচ্ছিন্নতাবাদ ও মৌলবাদ ধ্বংস হোক। আমাদের বৈচিত্র্যর দেশ, আমাদের গর্ব।
শেষ সংখ্যা
রঞ্জন – নববর্ষ সংখ্যা ১৪৩২
যোগাযোগ:
ভারতের ছাত্র ফেডারেশন,
উত্তর ২৪ পরগণা জেলা কমিটি
দীনেশ মজুমদার স্মৃতি ভবন, পাইয়োনিয়ার পার্ক, ১২নং রেল গেট, বারাসাত, পিনকোড – ৭০০১২৪
ইমেইল – ranjansfinorth24@gmail.com
ফোন – 6289235283
